
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফরিদপুর সদর উপজেলার ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা স্থানীয়দের ভোগান্তি চরমে অফিসের কর্মরত কানুনগো কামরুল হাসান ও সার্ভেয়ার আবু বকরের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের বাজিমাত।
স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন কামরুল ও আবু বকরের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। দিনের পর দিন অফিসে ঘুরেও বৈধ কাগজপত্র বা নামজারি ও পরিমাপের কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে চরম হতাশার মধ্যে রয়েছেন ভূমি মালিকরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি, মিসকেস নিষ্পত্তি এবং জমির মাপজোখ বা সার্ভে সংক্রান্ত প্রতিটি সেবা পাওয়ার জন্যই এই দুই কর্মকর্তার কাছে জিম্মি হয়ে গেছে।
সরকার নির্ধারিত ফি বা নিয়মের তোয়াক্কা না করে প্রতিটি ফাইলের জন্য অতিরিক্ত ও অবৈধ লেনদেন বাধ্যতামূলক করে তুলেছেন এই দুই কর্মকর্তা, টাকা না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা এবং বছরের পর বছর সেবা গ্রহীতাদের ঘোরানোর অভিযোগ রয়েছে কামরুল ও আবু বকরের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন জমির কাগজপত্রে সামান্য সংশোধনের জন্য মাসের পর মাস উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুরছি। কানুনগো কামরুল হাসান ও সার্ভেয়ার আবু বকরের কাছে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।
টাকা না দিলে দিনের পর দিন মাসের পর মাস ঘুরতে হয়, আর নানা ভুলত্রুটির অজুহাত দেখানো হয়।”
উপজেলা ভূমি অফিসে এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং চরম আর্থিক ও মানসিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল অবিলম্বে এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে ভূমি সেবা পেতে পারেন।
কানুনগো কামরুল হাসান কে ফোন দিলে তিনি ব্যাস্ত আছেন পরে ফোন দিবেন বলে ফোন রেখে দেন।পরবর্তীতে তাকে বারবার ফোন দিলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেন নাই।
ফরিদপুর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), মো: শফিকুল ইসলাম এর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান অফিসে সকলের দরজা আমার জন্য খোলা।কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে সরাসরি আমার কাছে এসে অভিযোগ করলে আমি ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো।
প্রতিনিধির নাম 



















