মোঃ নাঈম উদ্দীন
বিশেষ প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে চুয়াডাঙ্গা কোর্ট জামে মসজিদ এবং পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাধারণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণে এই জামাত সম্পন্ন হয়।
এদিন সকাল ০৮:০০ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা কোর্ট জামে মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সকাল ০৮:৩০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান উভয় জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শেষে খতিব সাহেব দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। মোনাজাতে চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশে অংশগ্রহণ করেন।
নামাজ পরবর্তী সময়ে পুলিশ সুপার মহোদয় উপস্থিত সকল পুলিশ সদস্য ও সাধারণ নাগরিকদের সাথে সরাসরি কুশল বিনিময় করেন। তিনি চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী সহকর্মীদের সাথে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
"পরিবার-পরিজন ছেড়ে যারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় ঈদের দিনেও রাস্তায় বা ডিউটি পোস্টে দাঁড়িয়ে আছেন, তাদের ত্যাগই আমাদের শক্তির উৎস।" — পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।
ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় বিশ্রামে না গিয়ে সরাসরি মাঠে নেমে পড়েন। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও ডিউটি পোস্টগুলো সরজমিনে পরিদর্শন করেন।
সতর্কতা: দায়িত্বরত সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের প্রশংসা করেন।
পরামর্শ: জনগণের ভোগান্তি লাঘবে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
উৎসাহ প্রদান: কর্তব্যরত সদস্যদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে তাদের মনোবল চাঙ্গা করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পুরো জেলায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। শপিং মল, বিনোদন কেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে করে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পারে।